সর্বশেষ খবর
Loading...
 ভারত সীমান্তে বিপুল সেনা মোতায়েন করেছে চীন

ভারত সীমান্তে বিপুল সেনা মোতায়েন করেছে চীন

 

ভারতের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই ২০২২ সালে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বিপুল সেনা মোতায়েন করেছে চীন। এছাড়াও তারা বহু নতুন নতুন পরিকাঠামোও তৈরি করেছে। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন।
২০২২ সালে ভারত-চীন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার তিনটি সেক্টর বরাবর নতুন রাস্তা তৈরির কাজ করেছে চীন। ফাইল ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২ মিনিটে পড়ুন

ভারতীয় গণমাধ্যম পেন্টাগনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত-চীন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখাকে তিনটি সেক্টরে ভাগ করা হয়। পূর্ব (অরুণাচল ও সিকিম), মধ্য (উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল প্রদেশ) এবং পশ্চিম (লাদাখ)।

 
‘ডেভেলপমেন্টস ইনভলভিং দ্য পিপলস, রিপাবলিক অব চায়না’ শীর্ষক পেন্টাগনের চলতি বছরের প্রতিবেদনটি দাবি করেছে, ২০২২ সালে এই তিনটি সেক্টর বরাবরই নতুন রাস্তা তৈরির কাজ চালিয়েছে চীন। ডোকলামের কাছে মাটির নীচে তৈরি হয়েছে মালপত্র রাখার পরিকাঠামো। ভুটানের কাছে বিতর্কিত এলাকায় নতুন গ্রামই গড়া হয়েছে। প্যাংগং হ্রদে তৈরি হয়েছে দ্বিতীয় সেতু। সেন্ট্রাল সেক্টরের কাছে একটি বিমানবন্দর গড়েছে চীন; যা সামরিক-বেসামরিক দু’ভাবেই ব্যবহার করা যায়। এছাড়াও প্রস্তুত হয়েছে একাধিক হেলিপ্যাডও।

 
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গালওয়ান সংঘর্ষের পর চীনা সেনাবাহিনী ওয়েস্টার্ন থিয়েটার কমান্ডের বহু সংখ্যক সেনাকে সরিয়ে এনে মোতায়েন করেছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায়। চলতি বছরের বাকি সময়টা ধরেও সেই কর্মকাণ্ড চলার সম্ভাবনা রয়েছে।
 
পেন্টাগনের দাবি, ২০২০ সালের মে মাস থেকেই ভারত সীমান্তের উত্তেজনা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে ওয়েস্টার্ন থিয়েটার কমান্ড। এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ভারত-চীন মতপার্থক্যের আবহে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর দু’দিকেই গড়ে উঠেছে সামরিক পরিকাঠামো।
 
পেন্টাগনের রিপোর্টে দাবি করা হয়, সীমান্তে ভারত-চীন কেউই জমি ছাড়তে রাজি না হওয়ায় আলোচনার অগ্রগতি খুবই কম। ২০২২ সালে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার পশ্চিম সেক্টরে চীনের সেনারা তাদের একটি বর্ডার রেজিমেন্টকে মোতায়েন করে। সঙ্গে যোগ দেয় শিনজিয়াং মিলিটারি ডিস্ট্রিক্ট ও টিবেট মিলিটারি ডিস্ট্রিক্টের দু’টি ডিভিশন। এছাড়া প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার তিনটি সেক্টরেই নিজেদের কম্বাইন্ড আর্মস ব্রিগেডকে নিয়ে আসে চীন।

0 Comments: